৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ অনুচ্ছেদ [১টি] - (২০২৩ আপডেট)

৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ অনুচ্ছেদ, ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ অনুচ্ছেদ রচনা, (৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ অনুচ্ছেদ for Class 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, 10) (৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ অনুচ্ছেদ ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম, ৯ম, ১০ম শ্রেণি) (৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ অনুচ্ছেদ pdf, বাংলা, লিখি, 100 - 150 শব্দ, লিখন, ২০২৩, ক্লাস ১০, ssc, hsc, jsc)

[১টি] ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ অনুচ্ছেদ (2022 আপডেট)

"৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ অনুচ্ছেদ"

স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলেন বাঙ্গালী জাতির স্বাধীনতার এক মহা- নায়ক। বাঙালিরা তাদের মহান নেতার নির্দেশের অপেক্ষায় ছিল যা ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের মধ্যে প্রকাশ পায়। ১৮ মিনিট স্থায়ী এই ভাষণে বঙ্গবন্ধু বাঙালিকে স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানান। ভাষণটি ইতিমধ্যে ১২টি ভাষায় অনুবাদ করা হয়েছে। ৭ই মার্চের ভাষণের মাহাত্ম্য বিবেচনা করে কিউজউইক ম্যাগাজিন ১৯৭১ সালেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাজনীতির কবি হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। আর ২০১৭ সালের ৩০শে অক্টোবর ইউনেস্কো এই ভাষণকে ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে স্বীকৃতি দেয় যা বাঙালি জাতির জন্য অহংকার। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক ৭ই মার্চের ভাষণে শোষণের বিরুদ্ধে বাঙালি জাতিকে গর্জে ওঠার আহবান জানানো হয়। জাতির জনক যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। কারণ ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও পাকিস্তানি শাসকরা ক্ষমতা নিজেদের মধ্যে কুক্ষিগত করে রাখার চেষ্টা শুরু করে। প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান ৩রা মার্চ জাতীয় পরিষদ আহ্বান করলেও ১লা মার্চ অপ্রত্যাশিতভাবে এই অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য মুলতবি ঘোষণা করেন। প্রতিবাদে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ২রা মার্চ ঢাকায় এবং ৩রা মার্চ সারাদেশে হরতাল পালিত হয়। ৩রা মার্চ তিনি পল্টন ময়দানে অনুষ্ঠিত এক বিশাল জনসভায় সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলনের ঘোষণা দেন। ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণটি অসহযোগ আন্দোলনের মধ্যেই প্রদান করা হয়েছিল। ভাষণটিতে ৪টি দাবি তুলে ধরা হয় যা ছিল, নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর, হত্যার সুষ্ঠু বিচার, সামরিক বাহিনীকে ব্যারাকে ফিরে যাওয়া, সামরিক আইন প্রত্যাহারের আহ্বান। বঙ্গবন্ধু বাঙালির বদনাম যেন না হয় সে বিষয়েও ভাষণটিতে সতর্ক করেছেন। ভাষণটির প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। প্রতিটি কথা বিশ্লেষণধর্মী। বাঙালি জাতির স্বাধীনতার পরোক্ষ ঘোষণা ছিল ৭ই মার্চের ভাষণ। বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূলমন্ত্রই ছিল ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url