[২টি অনুচ্ছেদ] আমার প্রিয় লেখক (২০২৩ আপডেট)

আমার প্রিয় লেখক অনুচ্ছেদ, আমার প্রিয় লেখক অনুচ্ছেদ রচনা, (আমার প্রিয় লেখক অনুচ্ছেদ for Class 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, 10) (আমার প্রিয় লেখক অনুচ্ছেদ ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম, ৯ম, ১০ম শ্রেণি) (আমার প্রিয় লেখক অনুচ্ছেদ pdf, বাংলা, লিখি, 100 - 150 শব্দ, লিখন, 2023, ক্লাস ১০, ssc, hsc, jsc)

[২টি অনুচ্ছেদ] আমার প্রিয় লেখক (2022 আপডেট)

"আমার প্রিয় লেখক অনুচ্ছেদ"

আমার প্রিয় লেখক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। তিনি বাংলার একান্ত দরদি কথাশিল্পী, বাঙালির বেদনার বিশ্বস্ত রূপকার। তাঁর লেখনী স্পর্শে বাংলা কথাশিল্প অর্থাৎ উপন্যাস ও ছোটগল্প জনপ্রিয়তার শীর্ষে আরোহণ করেছে। তাঁর লেখনীতেই বাংলার ব্যথিত মানুষের বাণীহারা বেদনা পেয়েছিল প্রকাশের প্রকৃত ভাষা। সাহিত্য দরবারে তিনি শোনালেন সমাজের চিরবঞ্চিত, চির অবহেলিতদের জীবন কাহিনি, মর্মস্পর্শী ভাষায় রচনা করলেন তাদের বেদনাময় অশ্রুনৈবেদ্য। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় অপ্রতিদ্বন্দ্বী কথাশিল্পী। বাংরার মাটি ও মানুষকে তিনি দেখেছেন সম্পূর্ণ নতুন দৃষ্টিভঙ্গিতে। তাঁর সৃষ্টির মধ্যে তাই সাধারণ মানুষ অসাধারণ হয়ে দেখা দিয়েছে। তিনিই সার্থকভাবে দেখিয়েছেন সাধারণ মানুষের মধ্যে রয়েছে কী অপার মনুষ্যত্বের মহিমা; অনুভব করেছেন বাঙালির সীমিত জীবনের অন্তরালেও চলেছৈ, কত বিচিত্র রূপের লীলাভিসার। এ অনুভবই তাঁর রচনায় পরিস্ফুট। তাই শরৎচন্দ্র আমার প্রিয় লেখক। তাঁর রচিত ‘মহেশ’ অনবদ্য ছোটগল্প। উপন্যাসগুলোর মধ্যে চরিত্রহীন, পল্লীসমাজ, পথের দাবী, শ্রীকান্ত, গৃহদাহ প্রভৃতি উৎকর্ষ ও শ্রেষ্ঠত্বের দাবিদার। তিনি সমাজের সকল স্তরের মানুষের হৃদয় জয় করেছেন। বাঙালি জাতি তাঁর কাছে নানাভাবে ঋণী। কেবল বাঙালি জাতিই নয় সমগ্র ভারতবর্ষ এবং বাংলাদেশ শরৎচন্দ্রের কাছে অপরিশোধ্য ঋণে আবদ্ধ। বিশ্বকবির ভাষায়- “দেশের হৃদয় তারে রাখিয়াছে ধরি”।

"আমার প্রিয় লেখক অনুচ্ছেদ রচনা"

আমাদের দেশে ও বিদেশে নানান সাহিত্যিক রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে অনেকের লেখাই আমার ভালাে লাগে। তবে সবচেয়ে বেশি ভালাে লাগে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় আমার প্রিয় লেখক। তাঁর লেখনী স্পর্শে বাংলা কথাশিল্প অর্থাৎ উপন্যাস ও ছােটগল্প জনপ্রিয়তার শীর্ষে আরােহণ করেছে। তিনি বাঙালির বেদনার রূপকার। তাঁর লেখনীতেই বাংলার ব্যথিত মানুষের বাণীহারা বেদনা পেয়েছিল প্রকৃত প্রকাশের ভাষা। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৭৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর হুগলি, জেলায় অতি সাধারণ মধ্যবিত্ত ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। শরৎচন্দ্রের শিল্পসৃষ্টির মূল উৎস সহমর্মিতা ও একাত্মবােধ যা তাকে সহায়তা করেছে সমাজের নিম্নশ্রেণির মানুষদের সঙ্গে নিবিড়ভাবে মিশতে, তাদের দুঃখক্লান্ত জীবনের সান্নিধ্যে এসে বিচিত্র অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ হতে। “মহেশ” শরৎচন্দ্রের এক অনন্য সৃষ্টি। এ গল্পে লেখক কুসংস্কারাচ্ছন্ন সমাজের নিষ্ঠুরতাকে ফুটিয়ে তুলেছেন। শরৎচন্দ্রের উপন্যাসগুলাে মূলত বাঙালির পারিবারিক জীবনকে আশ্রয় করে রচিত। বড়দিদি, বিরাজবৌ, পরিণীতা, বামুনের মেয়ে, অরক্ষণীয়া প্রভৃতি উপন্যাস পারিবারিক জীবনকেন্দ্রিক। যৌথ পারিবারিক জীবনে নরনারীর প্রেমের সঙ্গে সঙ্গে স্নেহপ্রীতি, বাৎসল্য, ঈর্ষা, স্বার্থপরতা এসব বৃত্তির পরিচয় তিনি সার্থক এবং উপযােগীভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। চরিত্রহীন, শ্রীকান্ত, গৃহদাহ প্রভৃতি ভিন্ন প্রেক্ষাপটের উপন্যাস। শরৎচন্দ্র তাঁর উপন্যাসে নারী চরিত্রগুলােকে নির্মাণ করেছেন ব্যক্তি ও সমাজের ভেতরের গৃহদাহ প্রভৃতি ভিন্ন প্রেক্ষাপটের উপন্যাস। শরৎচন্দ্র তাঁর উপন্যাসে নারী চরিত্রগুলােকে নির্মাণ করেছেন ব্যক্তি ও সমাজের ভেতরের মহল থেকে। গৃহদাহ উপন্যাসের ‘অচলা’, দেনাপাওনা উপন্যাসের ‘ষােড়শী, শ্রীকান্ত উপন্যাসের রাজলক্ষ্মী, দেবদাস উপন্যাসের ‘পার্বতী’ প্রভৃতি চরিত্র একেবারে জীবন্ত। উপন্যাসের ভাষা রচনায়ও রয়েছে শরৎচন্দ্রের মৌলিকতা। সবকিছু মিলিয়ে বাংলা সাহিত্যের অপরাজেয় কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় আমার প্রিয় লেখক।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url