[৩টি] ই-মেইল অনুচ্ছেদ (২০২৩ আপডেট)

ই-মেইল অনুচ্ছেদ, ই-মেইল অনুচ্ছেদ রচনা, (ই-মেইল অনুচ্ছেদ for Class 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, 10) (ই-মেইল অনুচ্ছেদ ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম, ৯ম, ১০ম শ্রেণি) (ই-মেইল অনুচ্ছেদ pdf, বাংলা, লিখি, 100 - 150 শব্দ, লিখন, ২০২৩, ক্লাস ১০, ssc, hsc, jsc)

[৩টি] ই-মেইল অনুচ্ছেদ (2022 আপডেট)

"ই-মেইল অনুচ্ছেদ"

ই-মেইল হলো ইলেকট্রনিক মেইল বা তড়িৎবার্তা । বিস্তারিতভাবে ই-মেইল বলতে ইলেকট্রনিক মেইলকে বোঝায়। যোগাযোগের তড়িৎ মাধ্যম হিসেবে ই-মেইলকেই সাধারণত নির্দেশ করা হয়। ই-মেইল কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত। টেলিপ্রিন্টারের সাহায্যে যোগাযোগের ক্ষেত্রে যেখানে টার্মিনাল থেকে টার্মিনালে যোগাযোগ হয় যেখানে ইলেকট্রনিক মেইলের ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীরা একে অন্যের সঙ্গে পম্পিউটারের মাধ্যমে যোগাযোগ স্থাপন করে। ই-মেইল প্রেরণ করা হয় কম্পিউটারে রক্ষিত ব্যক্তিগত মেইল বক্সে। ই-মেইল ব্যবস্থা স্থাপনের জন্য টেলিফোন সংযোগ ও একটি মডেম দরকার হয়। ই-মেইল যোগাযোগের ফলে অফিসে কাগজের ব্যবহার অনেকটা কম হয়। ই-মেইলের মাধ্যমে দু-পক্ষ সরাসরি উপস্থিত না থাকলেও যোগাযোগ স্থাপন করা যায়। প্রাপকের সরাসরি ব্যক্তিগত মেইল বক্সে ই-মেইল প্রেরিত হয় বলে এক্ষেত্রে নিশ্চিত গোপনীয়তা রক্ষা করা যায়। আধুনিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে ই-মেইল বিপ্লবের সূচনা করেছে। ই-মেইল আশীর্বাদের বদৌলতে ব্যবসা-বাণিজ্য এখন পূর্বের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক সহজতর। অবশ্য কম্পিউটার সাধারণ লোকের নিকট সহজলভ্য না হওয়াতে ই-মেইল সুবিধা এখনো সকলের নিকট পৌঁছাতে পারেনি। এটি যোগাযোগ প্রযুক্তিতে এক বিস্ময়কর আবিষ্কার। ১৯৭১ সালে মার্কিন বিজ্ঞানী Shiva Ayyadurai তার বিহীন এ যোগাযোগ পদ্ধতি আবিষ্কার করেন

"ই-মেইল অনুচ্ছেদ রচনা"

ই-মেইল হলো ইলেকট্রনিক মেইল তড়িৎবার্তা। এটি যোগাযোগ প্রযুক্তিতে এক বিস্ময়কর আবিষ্কার। ই-মেইল আবিষ্কার হলে ডাকবিভাগের উপর আমাদের নির্ভরতা কমেছে। সব শ্রেণির মানুষের জন্য এটি খুব সহায়ক। যদি একজন ব্যক্তির একটি কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট সংযোগ থাকে, তবে সেই ই-মেইল সংযোগ পেতে পারে। এটি অফিস কাজে ব্যবহারে সময় ও শ্রম হ্রাস করে। তাই ই-মেইল একই সাথে অর্থ এবং সময় উভয় বাঁচায়। ই-মেইলের মাধ্যমে এক দেশ থেকে অন্য দেশে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই সংবাদ প্রেরণ করতে পারে। কিন্তু আমাদের দেশে এখনও বিস্তৃতভাবে ই-মেইল ব্যবহৃত হচ্ছে না। আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে আমাদের দেশে যুব সমাজের অবশ্যই ই-মেইল ব্যবহারের জ্ঞান থাকতে হবে।

"ইন্টারনেট অনুচ্ছেদ Class 6 - 7"

ই-মেইল, একটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, যোগাযোগের ক্ষেত্রে নতুনত্বের সম্ভাবনা উন্মুক্ত করে। ইলেকট্রনিক মেইল, যা ই-মেইল নামেও পরিচিত, যোগাযোগ সম্ভব করেছে। ই-মেইল একটি সার্ভারের সাথে একত্রে কাজ করে। বিশ্বের প্রধান শহরগুলির সার্ভারগুলি প্রধান ইন্টারনেট-সংযুক্ত সার্ভারের সাথে একত্রিত করা যেতে পারে। এই সার্ভারে তথ্য পাঠানোর জন্য গ্রাহকরা 'স্থানীয় কল'-এর মাধ্যমে তাদের প্রধান শহরের সার্ভারের সাথে সংযোগ করতে পারেন। দিনের নির্দিষ্ট সময়ে, তথ্য ইন্টারনেটের প্রধান সার্ভারে রাখা হয়। সেখান থেকে সংশ্লিষ্ট ঠিকানায় তথ্য পাঠানো হয়। ই-মেইল দ্রুত এবং নিরাপদ। প্রেরক এবং প্রাপক উভয়েরই অনন্য কোড ঠিকানা রয়েছে যা তাদের ই-মেইল ব্যবহার করতে দেয়। এটি তাদের বিশ্বের যে কোনও জায়গায় ই-মেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে সক্ষম করবে।
Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url