[৪টি] অতিথি পাখি অনুচ্ছেদ (২০২৩ আপডেট)

অতিথি পাখি অনুচ্ছেদ, অতিথি পাখি অনুচ্ছেদ রচনা, (অতিথি পাখি অনুচ্ছেদ for Class 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, 10) (অতিথি পাখি অনুচ্ছেদ ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম, ৯ম, ১০ম শ্রেণি) (অতিথি পাখি অনুচ্ছেদ pdf, বাংলা, লিখি, 100 - 150 শব্দ, লিখন, ২০২৩, ক্লাস ১০, ssc, hsc, jsc)

[৪টি] অতিথি পাখি অনুচ্ছেদ (2022 আপডেট)

"অতিথি পাখি অনুচ্ছেদ Class 7"

হাজার হাজার মাইল পথ পাড়ি দিয়ে প্রতিবছর শীতকালে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থান থেকে অতিথি পাখি এদেশে আসে আশ্রয়ের সন্ধানে। অতিথি পাখি দলে দলে আসে। জাতীয় চিড়িয়াখানা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের জলাভূমিতে আপনি তাদের দেখতে পাবেন। পাখির সমাগমে এসব এলাকা পরিণত হয়েছে পাখির রাজ্যে। এই স্থানগুলি তাদের সুন্দর দৃশ্যের জন্য জনপ্রিয়। তাদের আতিথেয়তা না পাওয়া খুবই লজ্জার বিষয়। নির্দয়ভাবে এবং নির্মমভাবে তাদের শিকার করা হয়। শীতকাল যখন দেখি এই পাখিগুলো শিকারিরা রাস্তায় বিক্রি করছে। বর্তমানে অবশ্য সরকার এসব পাখি নির্মূলে পদক্ষেপ নিচ্ছে। কিছু আইনে এসব পাখি শিকার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সহানুভূতি দেখানোর জন্য টেলিভিশন বিজ্ঞাপন এবং তথ্যচিত্র দেখাচ্ছে। এই পাখিরা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং ফসলের জন্য ক্ষতিকারক কীটপতঙ্গ খেয়ে কৃষিকে উপকৃত করে। অতিথি পাখিদের সাথে কঠোর আচরণ করা ঠিক নয়। এসব পাখি একদিকে যেমন আমাদের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যকে বর্ধিত করে, অন্যদিকে প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে

"অতিথি পাখি অনুচ্ছেদ class 9"

আমাদের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বাড়ানোর  মতাে জিনিসগুলাের মধ্যে পাখি অন্যতম। আমরা যেমন অতিথিদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ করি, তেমনি এ পাখিগুলো আমাদের অতিথি বলে এদের সাথেও আমাদের সোহার্দ্য পূর্ণ আচরণ করা উচিত । আবহাওয়া ও জলবায়ু অনুসারে প্রতিটি দেশেরই নিজস্ব কিছু পাখি আছে, যেগুলােকে আমরা ঘরােয়া পাখি বলে। আবার এমন কিছু পাখি আছে যেগুলাে বছরের একটি সময়ে ঝাঁকে ঝাঁকে এসে আমাদের দেশ কলকাকলিতে ভরিয়ে দেয়। এদের বলা হয় অতিথি পাখি। বাংলাদেশ নাতিশীতােষ্ণ অঞ্চলের অন্তর্গত। এখানে শীত কিংবা গ্রীষ্ম কোনােটই তীব্র নয়। এজন্য প্রতিবছর শীতকালে বিশ্বের শীতপ্রধান বিভিন্ন দেশ থেকে যােজন যােজন দূরত্ব অতিক্রম করে হাঁসজাতীয় পাখিরা এসে বাংলাদেশের প্রকৃতিকে আনন্দময় করে তােলে। শীতের শেষে এসব পাখিরা আবার নিজ নিজ গন্তব্যে ফিরে যায়। এসব পাখির আনাগােনা শুরু হলে কিছু পাখি শিকারি অতিথি পাখি শিকারে মত্ত হয়ে উঠে। তাদের লােভের পরিণাম হিসাবে ব্যাপক হারে অতিথি পাখি ধরা পড়ে। শহরে শহরে প্রকাশ্যেই এসব পাখি বিক্রি দেখা যায়। অথচ সচেতন, শিক্ষিত ও ধনাঢ্য ব্যক্তিরা কোনােরূপ বিচার বিবেচনা না করেই এসব পাখি ক্রয় করে নিজেদের রসনার তৃপ্তি মেটায়। যা শুধু নির্মমই নয়, অমানুষিকও বটে। তবে আশার কথা এই যে, ইতােমধ্যে সরকার অতিথি পাখিদের রক্ষার্থে অতিথি পাখি সংরক্ষণ আইন প্রণয়ন এবং বেশকিছু এলাকাকে অতিথি পাখিদের অভয়ারণ্য হিসাবে ঘােষণা করেছে। এতে বাংলাদেশে পর্যাপ্ত অতিথি পাখি আসা এবং এদের অবাধ বিচরণের সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। সর্বসাধারণ সচেতন হলে পাখি সুরক্ষার ব্যাপারটিও ভালােভাবেই হবে বলে আশা করি। প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা করার জন্য মানুষের প্রয়োজন আরো সজাগ এবং সচেতন হওয়া।

"অতিথি পাখি অনুচ্ছেদ রচনা"

পাখিরা পাখনায় ভর করে যে সুদূরের গন্ধ নিয়ে আসে তাতে স্তব্ধ করার অধিকার কোন সভ্য মানুষের নেই । প্রতিবছর শীতকালে পৃথিবীর নানা প্রান্ত থেকে অসংখ্য পাখি আমাদের দেশে আসে। এগুলো পরিযায়ী বা অতিথি পাখি হিসেবে পরিচিত। অতিথি পাখিরা শীতপ্রধান দেশ থেকে হাজার হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে এদেশে আসে। প্রধানত সাইবেরিয়া, মঙ্গোলিয়া, তিব্বত, হিমালয়ের পাদদেশসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে কয়েক মাসের জন্য আসে অতিথি পাখিরা। তীব্র শীতের প্রকোপ ও খাদ্যাভাব থেকে বাঁচার জন্য এদেশে আশ্রয় খুঁজে নেয় এরা। এসব পাখির মধ্যে অধিকাংশই জলচর। প্রাকৃতিক লীলা-বৈচিত্র্যের এ দেশের ভারসাম্য রক্ষায় অতিথি পাখিদের অবদান অনেক। অতিথি পাখিরা আমাদের দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে, এসব পাখি দেখার জন্য এদেশে আগমন ঘটে পর্যটকদের। ফলে অতিথি পাখি সংরক্ষণ করা আমাদের দায়িত্ব। কিন্তু কতিপয় লোভী মানুষ নির্বিচারে অতিথি পাখি শিকার করে, যা অনৈতিক। যে পাখিরা বেঁচে থাকার তাগিদে এদেশকে নির্ভরযোগ্য মনে করে ছুটে আসে তাদেরই আমরা শিকার করার আনন্দে মেতে উঠি। তখন বাঙালির অতিথিপরায়ণতার রূপটি হয়ে ওঠে কুৎসিত। অতিথি পাখিদের আমাদের অতিথির মতোই সাদরে গ্রহণ করা উচিত। তাদের জন্য তৈরি করা উচিত অভয়ারণ্য। এ অতিথি পাখিরা শুধু আমাদের দেশে সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতেই আসে না, তারা নিয়ে আসে সাম্য ও মৈত্রীর বার্তা। অতিথি পাখিরা আমাদের সামনে কাঁটা-তারমুক্ত অবাধ পৃথিবীতে বিচরণের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রেখে যায়। বিশ্বায়নের যুগে এই বার্তাটি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে আমাদের অতিথি পাখি সংরক্ষণে বিশেষ সচেতন হতে হবে, দমন করতে হবে অতিথি পাখি শিকারিদের।

"অতিথি পাখি অনুচ্ছেদ"

হাজার হাজার মাইল পথ পাড়ি দিয়ে প্রতিবছর শীতকালে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থান থেকে অতিথি পাখি এদেশে আসে আশ্রয়ের সন্ধানে।এসব পাখি একদিকে যেমন আমাদের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যকে বর্ধিত করে, অন্যদিকে প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আমরা যেমন অতিথিদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ করি, তেমনি এ পাখিগুলো আমাদের অতিথি বলে এদের সাথেও আমাদের সোহার্দ্য পূর্ণ আচরণ করা উচিত। কিন্তু একশ্রেণির অসাধু সাংসলোভী লোক এবং ব্যবসায়ী নিজেদের ক্ষুদ্র স্বার্থসিদ্ধির জন্য এসব পাখি শিকার করে খায় এবং বিক্রি করে। ভবতে অবাক লাগে যে, হাজার হাজার মাইল পথ অতিক্রম করে যে পাখিরা আসে অস্তিত্ব রক্ষার জন্য, তারাই তাদের অস্তিত্ব বিসর্জন দেয় হৃদয়হীন লোকদের খাবার টেবিলে। অথচ মানুষের কর্তব্য অতিথি পাখিদের অভ্যর্থনা জানানো। তাদের জন্য অভয়ারণ্য তৈরি করা। তাদের আশ্রয়কালীন সময়টুকুকে নিরাপদ ও আনন্দময় করে তোলা। এজন্য মানুষকে তার লোভ ও রসনা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। বিচিত্র ধরনের এসব পাখি যেন কারও লোভের শিকার হতে না পারে সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা করার জন্য মানুষের প্রয়োজন আরও সজাগ এবং সচেতন হওয়া। পাখিরা পাখনায় ভর করে যে সুদূরের গন্ধ নিয়ে আসে তাকে স্তব্ধ করার অধিকার কোনো সভ্য মানুষের নেই। তাই শীতের অতিথি পাখিদের সংরক্ষণের ব্যাপারে আমাদের সচেতন হতে হবে। একইসাথে শিকারিদের দমন করতে জরুরিভিত্তিতে সরকারকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।
Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url