বিড়াল অনুচ্ছেদ [১টি] - (২০২৩ আপডেট)

বিড়াল অনুচ্ছেদ, বিড়াল অনুচ্ছেদ রচনা, (বিড়াল অনুচ্ছেদ Class 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, 10) (বিড়াল অনুচ্ছেদ ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম, ৯ম, ১০ম শ্রেণি) বিড়াল অনুচ্ছেদ নিচে দেওয়া হয়েছে। 100 - 150 শব্দ, লিখন, 2023, ক্লাস ১০, jsc, ssc, hsc)

বিড়াল অনুচ্ছেদ [১টি] - (২০২৩ আপডেট)

"বিড়াল অনুচ্ছেদ"

বিড়াল, ছোটবেলা থেকেই বাঘের মাসি হিসেবে নানি-দাদিরা কবিতার বাক্যে পরিচয় করিয়েছেন অসংখ্যবার। কিংবা বিড়ালের মিউ ডাকটাই তাদের ডাকনাম হয়ে দাঁড়াত। গ্রামের রসুই ঘরের আশপাশে কিংবা শহরের বহুল বসতি বা বাজারের পাশেই সাধারণত দেখা মেলে এদের। বিড়ালের আদি পুরুষের বসবাস ছিল অরণ্যেই, সেখানে নানা ধরনের হিংস্র প্রাণী থেকে নিজেদের রক্ষা করতে এক জাত বিড়ালের দল বন ছেড়ে বসবাস শুরু করে মনুষ্য সমাজের পরিবেশে। আজ বুনো বিড়াল বিলুপ্তপ্রায় বললেই চলে, প্রতিযোগিতায় টিকে আছে অরণ্য ছেড়ে আসা বিড়ালরাই। তবু এদের বাঁচতে অনেক সংগ্রাম করতে হয়। একেক জনের গল্প একেক রকম। স্কুলপড়ুয়া মেয়ে একটি বাইরের বিড়ালকে খাবার দিত বারান্দা থেকে। সে তো পোষ মানেনি। তবে মেয়েটির ঘরের কোণে প্রসব করা ছানাগুলো মেয়েটি ফেলতে পারেনি। ছানাগুলো এখন তার পোষ্য। অনেক শীতের সকালে ক্লাস করতে যাওয়া কলেজপড়ুয়া ছেলেটি রাস্তার পাশে অসহায় অবস্থায় অনবরত ডাকতে শুনছে একটি বিড়াল ছানাকে। মা বিড়ালও কাছে নেই। খুব অসুস্থ মনে হচ্ছে তাকে দেখে! ছেলেটি বাচ্চাটিকে উদ্ধার করে বাসায় এনে তার পোষ্য করে তুলল। এ ধরনের অনেক ঘটনার মাধ্যমে অনেকেই বিড়াল ছানাকে নিজেদের পোষা প্রাণী করে রাখছেন তাদের সঙ্গেই; তাদের পরিবারের একজনের মতো করে। এবার ছোটবেলা থেকেই বিড়াল খুব পছন্দ করি আমি। অনেক বিড়াল পুষেছি। এখনো ছোট্ট দুটো বিড়াল আছে আমার। পশু চিকিৎসকদের মতে, একটি পোষা বিড়ালের নানাবিধ রোগ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে বাইরের বিড়ালের চেয়ে অনেকাংশে কম। তবুও নিজের পোষ্য বিড়ালের নানা রোগের টিকা বা প্রতিষেধক দেয়া যায়, যা নিয়মিত ভেটেরিনারি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়ে থাকলে পোষা বিড়ালের রোগের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়। একটি নিরাপদ বাসের জায়গা আর খাবারের নিশ্চয়তা ও রোগমুক্ত সুন্দর জীবন দিয়ে থাকেন। আর এর বিপরীতে তারা শুধুই প্রশান্তি খুঁজে পান। বলতে পারেন, বন্যরা বনে সুন্দর শিশুরা মাতৃক্রোড়ে। কিন্তু প্রাণীও আমাদের পরিবেশের সম্পদ। প্রাণীপ্রেমীদের জেনে ভালো লাগবে, বর্তমানে এই লাভহীন প্রাণীদের নিয়ে ভাবতে অনেকেই এগিয়ে এসেছেন। এরাও পরিবেশের সম্পদ। আর এই উপলব্ধিতেই অনেক প্রাণীপ্রেমী দেশের নানা অঞ্চল হতে যে যেভাবে পারছেন, প্রাণীসম্পদ বাঁচানোর চেষ্টা করছেন। গড়ে উঠেছে রেসকিউ টিম। মানুষের ভ্রান্ত ধারণা দূর করে বিড়াল হত্যা কম করতে। তারা আপনার-আমার মতোই সাধারণ মানুষ ও প্রাণীপ্রেমী। হয়তো রয়েল বেঙ্গল টাইগারকে বাঁচাতে এই ব্যস্ত আর শহুরে জীবনে আমাদের করণীয় খুব কম, কিন্তু চাইলে সবাই বাঘের মাসিকে টিকিয়ে রাখতে পারি। ত্যি বলতে কি, বাঘী আর ফুটিকে কোলে নিয়ে আদর করলে আমার খুব ভালো লাগে।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url