বৃক্ষরোপণ অভিযান অনুচ্ছেদ [৩টি] - (২০২৩ আপডেট)

বৃক্ষরোপণ অভিযান অনুচ্ছেদ, বৃক্ষরোপণ অভিযান অনুচ্ছেদ রচনা, (বৃক্ষরোপণ অভিযান অনুচ্ছেদ Class 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, 10) (বৃক্ষরোপণ অভিযান অনুচ্ছেদ ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম, ৯ম, ১০ম শ্রেণি) বৃক্ষরোপণ অভিযান অনুচ্ছেদ নিচে দেওয়া হয়েছে। 100 - 150 শব্দ, লিখন, 2023, ক্লাস ১০, jsc, ssc, hsc)

বৃক্ষরোপণ অভিযান অনুচ্ছেদ [৩টি] - (২০২৩ আপডেট)

"বৃক্ষরোপণ অভিযান অনুচ্ছেদ Class 10"

প্রকৃতি সর্বদা ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তার পরিবেশকে রক্ষা করে। এক্ষেত্রে গাছ এবং বনাঞ্চল সবথেকে বেশি ভূমিকা পালন করে থাকে। তবে সভ্যতা প্রতিষ্ঠা করতে এবং নিজেকে সভ্য করে তোলার জন্য মানুষ প্রকৃতির রক্ষক এই গাছগুলোকে অবাধে আঘাত করছে। মানুষ বুঝে অথবা না বুঝে প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে বৃক্ষ নিধন করছে। বনের পর বন উজাড় হয়ে যাচ্ছে। ধীরে ধীরে পরিবেশ দূষণ ঘটছে। পরিবেশ হয়ে উঠেছে ভারসাম্যহীন। তাই ভারসাম্য রক্ষার্থে ব্যাপকভাবে বৃক্ষ রোপণ অনিবার্য হয়ে উঠেছে। পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি দেশের মোট আয়তনের ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা একান্ত প্রয়োজন। কিন্তু সেই তুলনায় আমাদের বন ভূমি খুবই কম। বাংলাদেশের মোট আয়তনের মাত্র ১৬ ভাগ বনভূমি- যা প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত নগণ্য। বনভূমির আয়তন ক্রমেই হ্রাস পাচ্ছে যা খুবই উদ্বেগের ব্যাপার। এই অভাব পূরণের জন্য বাংলাদেশ সরকার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন, এ বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যেও কাজ করে যাচ্ছেন। তবে তা প্রয়োজনের তুলনায় কম। আরও বিস্তৃত আকারে এ পদক্ষেপ নেয়া আশু দরকার। মূলত পরিবেশ সংরক্ষণ ও বনায়নের জন্য কার্যকর ভূমিকা আবশ্যক। যে দিন সকলে বুঝবে বৃক্ষ ছাড়া মানুষের একদিনও চলে না, প্রতিটি নিশ্বাসের যে অক্সিজেন, তা বৃক্ষই উৎপাদন করে।

"বৃক্ষরোপণ অভিযান অনুচ্ছেদ Class 7"

গাছের সাথে আমাদের অস্তিত্বের সম্পর্ক জড়িত। আমাদের জীবন ও জীবিকার জন্য গাছের প্রয়োজন অপরিহার্য। গাছ সমস্ত প্রাণীর জন্য খাদ্য সরবরাহ করে। বৃক্ষরোপণ অভিযান শুরু করার আগে গাছের গুরুত্ব বোঝা জরুরি। গাছ জ্বালানি, নির্মাণ সামগ্রী এবং আসবাবপত্রের জন্য কাঠ সরবরাহ করে। রোদ ঝলসে গেলে গাছের ছায়া আমাদের শীতল থাকতে সাহায্য করে। আমাদের বাসস্থান গাছ দ্বারা সুরক্ষিত। গাছ এবং ভেষজ মূল্যবান ওষুধ। গাছের শিকড় মাটিকে ধরে রাখে। এর ফলে বন্যা বা বৃষ্টির পানিতে মাটি ক্ষয় হওয়ার সম্ভাবনা কম। গাছ প্রচুর বৃষ্টি আনতে এবং কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ করতে সক্ষম, যা প্রাণীদের ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। গাছ গ্রিনহাউস প্রভাব কমায় এবং পৃথিবীকে আরও বাসযোগ্য করে তোলে। গাছ মানুষ এবং অন্যান্য সমস্ত প্রাণীর জন্য অপরিহার্য খাদ্য। প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রায়ই গাছপালা ধ্বংস হয়ে যায়। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য। বৃক্ষরোপণে উদ্যোক্তা হতে হবে। বৃক্ষ রোপণ অভিযান সফল কারণ বাংলাদেশ বন বিভাগ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এবং অন্যান্য বেসরকারি নার্সারি চারা উৎপাদন ও বিতরণ করছে। বৃক্ষরোপণকে উৎসাহিত করতে বৃক্ষরোপণ অভিযান জোরদার করা হয়েছে। রেডিও, টেলিভিশন, সংবাদপত্রসহ অন্যান্য গণমাধ্যম বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির গুরুত্ব তুলে ধরে প্রচার করছে। অনেক সভা, সেমিনার, সিম্পোজিয়াম অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিটি থানায় চারা দেওয়া হবে। গাছহীন বিশ্বে আমরা কখনই টিকতে পারি না। আমাদের বেঁচে থাকার জন্য বনায়ন, অর্থাৎ বনায়নকে কেন্দ্র করে ফোকাস করা উচিত।

"বৃক্ষরোপণ অভিযান অনুচ্ছেদ"

ভ্যতা প্রতিষ্ঠা করতে এবং নিজেকে সভ্য করে তোলার জন্য মানুষ প্রকৃতির রক্ষক এই গাছগুলোকে অবাধে আঘাত করছে। ফলস্বরূপ, আমরা প্রকৃতির প্রতিক্রিয়া দেখতে বাধ্য হচ্ছি। বৃক্ষরোপণ বলতে বোঝায় বড় পরিসরে পরিকল্পিতভাবে গাছ লাগানো। গাছ আমাদের ছায়া দেয়, নানা প্রকার ফল দেয়, রান্নার জন্য আমাদেরকে জ্বালানি হিসেবে কাঠ দেয়, আসবাবপত্র, দরজা, জানালা, নৌকা, বৈদ্যুতিক থাম এবং রেলওয়ে পাতের জন্য আমাদেরকে কাঠ দিয়ে থাকে। তারা আমাদেরকে রাবারও প্রদান করে। গাছপালা কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে এবং অক্সিজেন উৎপন্ন করে। পর্যাপ্ত গাছপালা পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত ঘটায় এবং খরা রোধ করে। রাস্তার পাশের গাছপালা ভূমি ক্ষয় আর উপকূলবর্তী গাছপালা জলোচ্ছ্বাস প্রতিরোধ করে। ফলে, আমরা বৃক্ষ হারাচ্ছি। এজন্য বৃক্ষরোপণকে একটি প্রকল্প হিসেবে নিতে হবে। আমরা যত বৃক্ষরোপণ করব পরিবেশ তত ভারসাম্যপূর্ণ এবং সবুজ হবে। পৃথিবী তখন হয়ে উঠবে শ্যামল, নির্মল ও নিরাপদ। বাংলাদেশে বৃক্ষরোপণ অত্যাবশ্যক কারণ পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখার মতো প্রয়োজনীয় বনভূমি আমাদের নেই। বিভিন্ন সভা-সমাবেশ করে লোকজনকে সচেতন করলে বৃক্ষরোপণ অভিযান সফল হতে পারে। সংবাদপত্র, টিভি আর বেতার এর মতো গণমাধ্যম জনগণকে বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত করতে অপরিহার্য ভূমিকা পালন করতে পারে। রাষ্ট্রীয় অর্থনৈতিক বিকাশ, ব্যক্তিগত পরিবার বিকাশ এবং জীবিকা নির্বাহের জন্য আমাদের বন সংরক্ষণ ও বিকাশ করা দরকার। কেবলমাত্র সরকারী বা বেসরকারী পর্যায়ে নয়, স্বতন্ত্রভাবেও যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করা দরকার এবং সেসব উদ্যোগের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।


Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url