ছাত্রজীবন অনুচ্ছেদ [২টি] (২০২৩ আপডেট)

ছাত্রজীবন  অনুচ্ছেদ, ছাত্রজীবন  অনুচ্ছেদ রচনা, (ছাত্রজীবন  অনুচ্ছেদ Class 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, 10) (ছাত্রজীবন  অনুচ্ছেদ ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম, ৯ম, ১০ম শ্রেণি) (ছাত্রজীবন  অনুচ্ছেদ নিচে দেওয়া হয়েছে। 100 - 150 শব্দ, লিখন, 2023, ক্লাস ১০, jsc, ssc, hsc)

ছাত্রজীবন অনুচ্ছেদ [২টি] (২০২৩ আপডেট)

"ছাত্রজীবন  অনুচ্ছেদ রচনা"

শিক্ষার কোনাে শেষ নেই। আমৃত্যু মানুষ শিক্ষালাভ করে থাকে। কিন্তু মানুষের সম্পূর্ণ জীবনটাকেই ছাত্র জীবন বলে না। শিক্ষা একটি জীবনব্যাপী প্রক্রিয়া। সমগ্র মানব অভিজ্ঞতা ছাত্রজীবন বিবেচনা করা হয় না। ছাত্রজীবনের কিছু ক্ষেত্র আছে। ছাত্রজীবন হল বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও স্কুলে শিক্ষার্থীদের অধ্যয়ন জীবন। পাঠ্যপুস্তক সম্পর্কে শেখার জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কাজ করলে শিক্ষার্থীদের জীবন বদলে যায়। মানবতার ভবিষ্যৎ প্রভাবিত করার সর্বোত্তম সময় হল ছাত্রজীবন। এই জীবনের মূল্য অন্য যেকোন সময়ের থেকে বেশি। ছাত্রজীবন হলো গাছের শিকড়ের মতো। শিকড় গাছের চেয়ে শক্তিশালী। ঝড় ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় শিকড়ের কারণে গাছ পড়ে যায় না। মানুষের জীবনও একই রকম। ঝড় বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে ভবিষ্যৎ জীবনের ভিত্তি নড়ে যাবে না। তার পথে সমস্ত বাধা সত্ত্বেও সে শক্তিশালী হবে। তাই ছাত্রজীবনই শ্রেষ্ঠ। শিক্ষার্থীদের কঠোরভাবে পড়াশুনা করতে বাধ্য করা উচিত নয়। তারা কঠোর নিয়মের সাথে একটি নিয়ন্ত্রিত এবং শান্ত পরিবেশে বাস করে। তাদের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই কঠোর পরিশ্রম, আনুগত্য, নিয়মানুবর্তিতা ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য রয়েছে। বড়দের কাছে এই গুণগুলি এমন কিছু নয় যা শিক্ষার্থীদের আয়ত্ত করতে সক্ষম হওয়া উচিত, তবে তাদের বিষয়বস্তুর প্রয়োজন। ছাত্র জীবন সংযম দ্বারা চিহ্নিত করা হয়. অগ্রগতি করার জন্য ভবিষ্যতের প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রাখতে সক্ষম হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। যদিও শিক্ষার্থীদের ব্যায়াম এবং খেলাধুলার প্রতি আবেগ থাকতে পারে, তাদের আসল কাজ শেখা।

"ছাত্রজীবন অনুচ্ছেদ Class 7"

ছাত্রজীবনের নির্দিষ্ট কতকগুলো ক্ষেত্র রয়েছে। তাই শিক্ষার্থীদের স্কুল কলেজে ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠরত জীবনকেই ছাত্রজীবন বলে। শিক্ষার্থীগণ যখন পাঠ্যপুস্তকের জ্ঞানার্জনের জন্য কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়ন করে থাকে, তখন তাদের জীবনই হলো ছাত্রজীবন। ছাত্রজীবনই হলো মানুষের ভবিষ্যৎ গঠনের জন্য সর্বোত্তম সময়। তাই সমগ্র জীবন পরিসরে এই জীবনের মূল্য অত্যধিক। মানুষের জীবনটা যদি একটি বৃক্ষ হয় তাহলে ছাত্রজীবনটা হলো সেই বৃক্ষের মূল। মূল যত শক্ত হবে বৃক্ষও তত মজবুত হবে। ঝড়ে বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে সে গাছ উপড়ে পড়বে না। মানুষের জীবনও সেরূপ, ছাত্রজীবন যত উন্নত হবে ভবিষ্যৎ জীবনের ভিতও তত মজবুত হবে। সমাজের নানা বাধা-বিপত্তি তাকে টলাতে পারবে না। সুতরাং ছাত্রজীবনটাই সবচেয়ে মূল্যবান। ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য অধ্যয়নই হলো প্রধান তপস্যা। তাদের আহার-বিহার, কাজ-কর্ম সমস্তই এই বিশেষ উদ্দেশ্যে নিয়ন্ত্রিত হয়। কঠোর নিয়মের বন্ধনে শান্ত ও সংযম আবেষ্টনীর মধ্যে তাদের জীবন গড়ে ওঠে। গুরুজনের প্রতি বাধ্যতা, শ্রমশীলতা, নিয়মানুবর্তিতা প্রভৃতি গুণ থাকা তাদের অত্যন্ত জরুরি। এসব গুণ ছাত্র-ছাত্রীদের পক্ষে আয়ত্ত করা বিশেষ কিছু নয়, কেবল অভ্যাস সাপেক্ষ। সংযম ছাত্রজীবনের বিশেষ গুণ। ভবিষ্যৎ জীবনে। মনুষ্যত্বের একটি সুনির্দিষ্ট আদর্শ সামনে রেখে অগ্রসর হতে গেলেই সংযম অভ্যাস করা দরকার। ভবিষ্যৎ জীবনে মনুষ্যত্বের একটি সুনির্দিষ্ট আদর্শ সামনে রেখে অগ্রসর হতে গেলেই সংযম অভ্যাস করা দরকার। খেলাধুলা, ব্যায়াম প্রভৃতির প্রতি ছাত্রছাত্রীদের যেমন অকৃত্রিম অনুরাগ থাকবে, সেরূপ তার প্রকৃত কাজ যে জ্ঞান আহরণ সে কথাও ভুললে চলবে না।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url