[১টি] কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত অনুচ্ছেদ (২০২৩ আপডেট)

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত অনুচ্ছেদ, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত অনুচ্ছেদ রচনা, (কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত অনুচ্ছেদ for Class 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, 10) (কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত অনুচ্ছেদ ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম, ৯ম, ১০ম শ্রেণি) (কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত অনুচ্ছেদ pdf, বাংলা, লিখি, 100 - 150 শব্দ, লিখন, ২০২৩, ক্লাস ১০, ssc, hsc, jsc)

[১টি] কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত অনুচ্ছেদ (2022 আপডেট)

"কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত অনুচ্ছেদ"

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতটি পৃথিবীর দীর্ঘতম অখন্ডিত সমুদ্র সৈকত। ১২০ কিঃমিঃ দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট এ সমুদ্র সৈকতে বৈশিষ্ট হলো পুরো সমুদ্র সৈকতটি বালুকাময়, কাদা অস্তিত্ব পাওয়া যায় না। শুধু সারা দেশের মানুষ নয় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে পর্যটকরা এখানে ঘুরতে আসেন। কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত দেখতে খুব সুন্দর। সাগরের ঢেউগুলো সমুদ্রসৈকতে এসে আছড়ে পড়ার দৃশ্য খুবই মনোরম লাগে। সমুদ্রসৈকতের আরেক নাম বেলাভূমি। বেলাভূমিতে শুধু বালি আর বালি। হরেক রকমের পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসে বিভিন্ন দোকানি। ঝিনুক ও পুঁতির মালাসহ বিভিন্ন ধরনের দ্রব্যাদিও এখানে পাওয়া যায়। সমুদ্রসৈকতে দাঁড়িয়ে সূর্যাস্তের দৃশ্য দেখাটাই মূল আকর্ষণ! দর্শনার্থীরা সূর্যাস্ত দেখতে সন্ধ্যায় সাগরের পাড়ে ভিড় জমায়। সমুদ্রসৈকতের পাশেই রয়েছে ঝাউবন। সেখানে দাঁড়িয়ে অনেক দর্শনার্থী ছবি তোলে। সাগরের গর্জন, নীল জল, ঢেউ আর বিস্তৃত আকাশ মানুষকে মুগ্ধ করে। সৈকতে গেলে আকাশ আর সাগরের বিশালতার দৃশ্যই শুধু দেখা যায়। সৈকতে গেলে আকাশ আর সাগরের বিশালতার দৃশ্যই শুধু দেখা যায়। এর এক দিকে জল, পেছনে পাহাড় আর দু পাশে বালি। এরকম বৈচিত্র্যপূর্ণ জায়গা একমাত্র কক্সবাজার এলেই উপভোগ করা যায়। এ কারণে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ সমুদ্র দেখতে আসে। কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত পর্যটন শিল্প হিসেবে গড়ে উঠেছে। এর অর্থনৈতিক গুরুত্বও অনেক।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url