ফেসবুক অনুচ্ছেদ [৩টি] - (২০২৩ আপডেট)

ফেসবুক অনুচ্ছেদ, ফেসবুক অনুচ্ছেদ রচনা, (ফেসবুক অনুচ্ছেদ Class 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, 10) (ফেসবুক অনুচ্ছেদ ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম, ৯ম, ১০ম শ্রেণি) (ফেসবুক অনুচ্ছেদ নিচে দেওয়া হয়েছে। 100 - 150 শব্দ, লিখন, 2023, ক্লাস ১০, jsc, ssc, hsc)

ফেসবুক অনুচ্ছেদ [৩টি] - (২০২৩ আপডেট)

"ফেসবুক অনুচ্ছেদ"

বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটের নাম ফেসবুক বা www.facebook.com। যোগাযোগ ব্যবস্থার এই সাইটটি প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি। তবে ২০০৩ সালে মার্ক জুকারবার্গ কর্তৃক নির্মিত ফেসমাস নামের সাইটটির উত্তরসূরী হিসেবেই ফেসবুকের। ফেসবুকের মাধ্যমে মানুষ সহজেই পরিচিতজনদের সাথে আন্তঃযোগাযোগ স্থাপন করতে পারে। ফেসবুকের বর্তমান নির্বাহী মার্ক জুকারবার্গ তাঁর আরো তিনজন সহযোগীর মাধ্যমে এই ওয়েব সাইটটি প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁরা হলেন এডওয়ার্ডো সেভারিন, ডাস্টিন মস্কোবিতস এবং ক্রিস হিউজেস। ফেসবুকে কোনরকম খরচ ছাড়াই সদস্য হওয়া যায়। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীগণ ফেসবুকের সাথে সংযুক্ত অন্যান্য পরিচিত মানুষদের বন্ধু হিসেবে সংযোজন করতে পারে, নানা রকম বার্তা ও মন্তব্য প্রদান করতে পারে, বন্ধুদের সম্পর্কে জানতে পারে এবং ব্যবহারকারী তার ব্যক্তিগত তথ্যাবলি হালনাগাদ ও আদান-প্রদান করতে পারে। এছাড়া ফেসবুক চ্যাট-এর মাধ্যমে একজন ব্যবহারকারী তার অন্য কোনো ফেসবুক বন্ধুর সাথে তৎক্ষণাৎ আলাপ সেরে নিতে পারে। উন্নত সেবা প্রদান করার লক্ষ্যে ২০০৮ সালে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ এই চ্যাটিং সিস্টেম চালু করে। ফেসবুকের মাধ্যমে একজন ব্যবহারকারী শহর, কর্মস্থল, বিদ্যালয় এবং অঞ্চলভিত্তিক নেটওয়ার্কেও যুক্ত হতে পারে। বর্তমানে এই সুবিধা ব্যবহার করে রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকান্ডও পরিচালিত হচ্ছে উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, মিশরের তাহরির স্কয়ারের সরকার পতনের আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল ফেসবুকের মাধ্যমে এমনকি বাংলাদেশের ব্লগারদের দ্বারা পপরিচালিত যুদ্ধাপরাধী বিচার দাবিতে গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলনেও ফেসবুক সহায়ক ভূমিকা রয়েছে। তবে ফেসবুক যেমব সামাজিক হৃদ্যতা বাড়ায় তেমনি অনেকাংশে মানসিক অস্থিরতাও বাড়ায়। এর মাধ্যমে সাইবার অপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকে। ইদানিং ফেসবুক ব্যবহার তরুণদের নেশা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে স্বাভাবিক কাজকর্ম বিঘ্নিত হচ্ছে অনেকের। তবুও তথ্যপ্রযুক্তির এ সময় ফেসবুক অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। 

"ফেসবুক অনুচ্ছেদ রচনা"

২০০৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ছােট্ট একটি কক্ষ থেকে বন্ধুদের ইন্টারনেটের মাধ্যমে সহজে যােগাযােগের কৌশল হিসেবে ফেসবুকের জন্ম। প্রাথমিকভাবে এটি ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও খুব দ্রুতই তা বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। প্রখ্যাত মার্কিন প্রযুক্তিবিদ মার্ক জাকারবার্গ এর প্রতিষ্ঠাতা। ফেসবুকের আন্তর্জাতিক সদর দপ্তর ডাবলিন, আয়ারল্যান্ডে। সামাজিক যােগাযােগের আরও বিভিন্ন ওয়েবসাইট চালু হলেও ফেবুক বর্তমানে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। এখন প্রায় দুইশ কোটির মতাে মানুষ কোনাে না কোনােভাবে ফেসবুক ব্যবহার করছে। আমারে বাংলাদেশেই ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় দুই কোটি। এটি একটি উন্মুক্ত ওয়েবসাইট হওয়ায় এখানে যে কেউ বিনা খরচে সদস্য হতে পারে। ফেসবুকের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা তাদের পরিচিত বন্ধুদের সাথে যেমন অনলাইন নেটওয়ার্কে যুক্ত হতে পারে, তেমনি অপরিচিত অনেকের সাথেও পরিচিত হতে পারে। ফলে সামাজিক যােগাযােগের ক্ষেত্র প্রসারিত হচ্ছে। এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে একজন ব্যবহারকারী নিজের আনন্দ-বেদনার অনুভূতি, ব্যক্তিগত নানা অভিজ্ঞতা ও ঘটনা, ছবি প্রভৃতি তার বন্ধুদের সাথে বিনিময় করতে পারে। তা ছাড়া সামাজিকভাবে সচেতনতা সৃষ্টি ও সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতেও ফেসবুক বর্তমানে কার্যকর একটি মাধ্যম। তিউনিসিয়ায় আরব বসন্ত বা গণজাগরণের নেপথ্যে ছিল এই ফেসবুক। বাংলাদেশেও বর্তমানে ফেসবুকের মাধ্যমে মানুষের মাঝে বিশেষ করে তরুণদের মাঝে সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপদ সড়ক চাই’ আন্দোলনে ফেসবুক নিয়ামক ভূমিকা পালন করে। বিশ্বের ছােট-বড় প্রতিটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ফেসবুকের মাধ্যমে তাদের প্রচারণা চালাচ্ছে। তবে ফেসবুকের কিছু নেতিবাচক দিকও রয়েছে। রাতজেগে ফেসবুক ব্যবহারে অনেক শিক্ষার্থীর স্বাস্থ্য ও লেখাপড়ায় বিরূপ প্রভাব পড়ে। ফেসবুকের মাধ্যমে প্রতারণার ঘটনাও কম নয়। এক্ষেত্রে আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে।

"ফেসবুক অনুচ্ছেদ (Class 6)"

ফেসবুকের বর্তমান নির্বাহী মার্ক জুকারবার্গ তাঁর আরাে তিনজন সহযােগীর মাধ্যমে এই ওয়েব সাইটটি প্রতিষ্ঠা করেন। তারা হলেন এডওয়ার্ড সেভারিন, ডাস্টিন মকোভিস এবং ক্রিস হিউজেস। ফেসবুকের কোনাে রকম খরচ ছাড়াই সদস্য হওয়া যায়। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীগণ ফেসবুকের সাথে সংযুক্ত অন্যান্য পরিচিত মানুষদের বন্ধু হতে পারে, নানা রকম বার্তা ও মন্তব্য প্রদান করতে পারে, বন্ধুদের সম্পর্কে জানতে পারে এবং ব্যবহারকারী তার ব্যক্তিগত তথ্যাবলি হালনাগাদ ও আদান-প্রদান করতে পারে। এছাড়া ফেসবুক চ্যাট এর মাধ্যমে একজন ব্যবহারকারী তার অন্য কোনাে ফেসবুক বন্ধুর সাথে তাৎক্ষণিক আলাপও সেরে নিতে পারে। উন্নত সেবা প্রদান করার লক্ষ্যে ২০০৮ সালে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ এই চ্যাটিং সিস্টেম চালু করে। ফেসবুকের মাধ্যমে একজন ব্যবহারকারী শহর, কর্মস্থল, বিদ্যালয় এবং অঞ্চলভিত্তিক নেটওয়ার্কেও যুক্ত হতে পারে। বর্তমানে এ সুবিধা ব্যবহার করে রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে। উদাহরণসরূপ বলা যায়, মিশরের তাহরি স্কয়ারে মিশরের সরকার পতনের আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল ফেসবুকের মাধ্যমে, এমনকি বাংলাদেশের ব্লগারদের দ্বারা পরিচালিত যুদ্ধপরাধীর বিচার দাবিতে গণজাগরণ মঞের আন্দোলনেও ফেসবুকের সহায়ক ভূমিকা রয়েছে। তবে ফেসবুক যেমন সামাজিক হৃদ্যতা বাড়ায় তেমনি অনেকাংশে মানসিক অস্থিরতাও বাড়ায়। এর মাধ্যমে সাইবার অপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকে। ইদানিং ফেসবুক ব্যবহার তরুণদের নেশা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে স্বাভাবিক কাজকর্ম বিঘ্নিত হচ্ছে অনেকের। তবুও বলতে হয় এটি আমাদের অনেক উপকারে আসে। 

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url