জলবায়ু পরিবর্তন অনুচ্ছেদ [২টি] (২০২৩ আপডেট)

জলবায়ু পরিবর্তন অনুচ্ছেদ, জলবায়ু পরিবর্তন  অনুচ্ছেদ রচনা, (জলবায়ু পরিবর্তন  অনুচ্ছেদ Class 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, 10) (জলবায়ু পরিবর্তন  অনুচ্ছেদ ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম, ৯ম, ১০ম শ্রেণি) (জলবায়ু পরিবর্তন  অনুচ্ছেদ নিচে দেওয়া হয়েছে। 100 - 150 শব্দ, লিখন, 2023, ক্লাস ১০, jsc, ssc, hsc)

জলবায়ু পরিবর্তন অনুচ্ছেদ [২টি] (২০২৩ আপডেট)

"জলবায়ু পরিবর্তন  অনুচ্ছেদ রচনা"

ভ্যতার ক্রমবিকাশের মধ্য দিয়ে মানুষ যে উন্নয়নের সৌধ-মিনার নির্মাণ করেছে, তার মূলে রয়েছে নিদারুণভাবে প্রকৃতির ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ। তাই গােটা বিশ্ব আজ এক ভয়াবহ আতঙ্কে; জলবায়ুর সীমাহীন নেতিবাচক প্রভাব সমস্ত বিশ্ব-বিবেককে করেছে মূঢ়-ভাষাহীন। পৃথিবীর স্বাভাবিক পরিবেশ দূষিত ও বিষাক্ত হওয়ার কারণে প্রাকৃতিক ভারসাম্য ভয়াবহ হুমকির মুখে পড়েছে। কাজেই এটির কারণ নির্ণয় এবং তার দ্রুত সমাধানের ওপর নির্ভর করছে জলবায়ুর স্বাভাবিক স্থিতিশীলতা এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্য। পৃথিবীকে ক্রমশ উষ্ণ করার জন্য মানুষই দায়ী এবং মানুষকেই এটির প্রতিকারের জন্য সক্রিয় ভূমিকা নিয়ে প্রকৃতি ও মানবসভ্যতাকে রক্ষা করতে হবে, রুখতে হবে জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়ংকর হুমকি। বিশ শতকের আশির দশক থেকে গ্রিনহাউজ গ্যাসের প্রভাবে পৃথিবীর তাপমাত্রা ০.৭৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেয়েছে। এই হারে পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি পেলে এ শতাব্দীর শেষের দিকে মেরু অঞ্চলের বরফ গলে যাবে। ইতোমধ্যে হিমালয় অঞ্চলের ব্যাপক পরিবর্তন লক্ষ করা যাচ্ছে। ২০৫০ সালে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ১৫৩ সেন্টিমিটার বেড়ে যাবে। দ্রুত হবে জলবায়ুর পরিবর্তন। এর ফলে দ্রুত নেতিবাচক প্রভাব পড়বে অভ্যন্তরীণ জলজ, সামুদ্রিক ও উপকূলীয়, কৃষি, বন, দ্বীপাঞ্চল, পার্বত্য অঞ্চল, মেরু প্রতিবেশের ওপর। বিভিন্ন প্রতিবেশের এই পরিবর্তনে প্রাণী ও উদ্ভিদ জগতের ২৫ ভাগ নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে, প্লাবিত হবে নিম্নাঞ্চল। খরা, তাপপ্রবাহ, অনাবৃষ্টি, অতিবৃষ্টিতে ফসল উৎপাদন ও অরণ্য সম্পদে দেখা দেবে ভয়াবহ বিপর্যয়। কোটি কোটি মানুষ পরিবেশ বিপর্যয়ের নির্মম শিকার হবে। ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের ২০ শতাংশ এলাকা ডুবে যাবে। ১.৪ মিলিয়ন হেক্টর উপকূলীয় এলাকায় লোনা পানিতে প্ররিবেশে বিভ্রাট ঘটবে। বন্যার হার বেড়ে যাবে, ফসল উৎপাদন হ্রাস পাবে, অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে সর্বক্ষেত্রে ব্যাপক বিপর্যয় ঘটাবে। আসুন জলবায়ুর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করে বিশ্বকে আগামী প্রজন্মের জন্য বাসযােগ্য করে গড়ে তুলি ।

"জলবায়ু পরিবর্তন অনুচ্ছেদ"

একথা ঠিক ‘ধন ধান্যে পুষ্পে ভরা আমাদের এই চিরসবুজ বাংলাদেশ জলবায়র করুণ পরিণতির কাছে। আজ বড়াে অসহায়। ইতােমধ্যে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যাপক নদী ভাঙন, খরা আর অতিবর্ষণে যেমন ভূ-ভাগের ব্যাপক। পরিবর্তন সাধিত হয়েছে তেমনি অনেক জীব তার স্বাভাবিক আবাসস্থল হারিয়ে অস্তিত্বের চরম সংকটে পড়েছে । জলাবায়ু পরিবর্তন এর কারণসমূহকে দুটি ক্রাটাগরিতে বিভক্ত করা যেতে পারে। এরা হলো, প্রাকৃতিক কারণ এবং মানবসৃষ্ট কারণ। বৈষ্ণিক উষ্ণতা হচ্ছে প্রধান প্রাকৃতিক কারণ ও দৈনন্দিন জীবনে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থের ব্যবহার হচ্ছে প্রধান মানবসৃষ্ট কারণ। জলবায়ু দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে যার ফলশ্রুতিতে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশ্বের জলাবায়ু পরিবর্তন ও এর ফলাফল, বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে খারাপ প্রভাব ফেলছে। জলাবায়ু পরিবর্তনের মারাত্মক ফলাফল হচ্ছে উষ্ণতা বৃদ্ধি গ্রীণ হাউজ প্রতিক্রিয়া, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, খরা, মেরু অঞ্চলের বরফগলন ইত্যাদি যা দরিদ্র দেশসমূহের মানুষের জীবনযাত্রাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। জলবায়ু পরিবর্তনের খারাপ প্রভাবকে প্রশমিত করতে মানুষকে সচেতন হতে হবে। বৃক্ষরোপণ বৈশ্বিক উষ্ণতা হ্রাস করতে পারে। রাসায়নিক পদার্থের ব্যবহার পরিবেশ দূষণ কমাতে পারে।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url