মাদার তেরেসা অনুচ্ছেদ [১টি] - (২০২৩ আপডেট)

মাদার তেরেসা অনুচ্ছেদ, মাদার তেরেসা অনুচ্ছেদ রচনা, (মাদার তেরেসা  অনুচ্ছেদ Class 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, 10) (মাদার তেরেসা অনুচ্ছেদ ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম, ৯ম, ১০ম শ্রেণি) মাদার তেরেসা অনুচ্ছেদ নিচে দেওয়া হয়েছে। 100 - 150 শব্দ, লিখন, 2023, ক্লাস ১০, jsc, ssc, hsc)

মাদার তেরেসা অনুচ্ছেদ [১টি] - (২০২৩ আপডেট)

"মাদার তেরেসা অনুচ্ছেদ"

মানব সেবায় এক অনন্য উদাহরণের স্মৃতিচিহ্ন রেখে গেছেন মাদার তেরেসা। আর তারই ধারাবাহিকতায় দক্ষিণ এশিয়া সহ পৃথিবীর প্রায় সবগুলো দেশে মাদার টেরেসাকে নিয়ে পাঠ্য বইয়ে বিস্তর আলোচনা করা হয়েছে। মাদার তেরেসার জন্ম ১৯১০ সালে ২৭শে আগস্ট। যুগোশ্লাভিয়ার স্কোপেজ শহরের এক স্বচ্ছল কৃষক পরিবারে তার জন্ম। জন্মের পর বাবা-মা তাঁর নাম রাখেন অ্যাগনেস। তাঁর বয়স যখন ১২ বছর, তখন তাঁর মনে প্রথম জেসুইট মিশনারিদের সম্বন্ধে কৌতুহল জাগে। স্কোপেজ শহরে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে জেসুইটদের চিঠি পড়িয়ে শোনানো হতো। তাতে কলকাতার মানুষের দুঃখ দুর্দশার কথা লেখা থাকত। আর্ত মানুষের সেবা ও মিশনারী জীবনের প্রতি প্রচন্ড টানে তিনি ১৮ বছর বয়সে সব সংশয় কাটিয়ে ঘর ছেড়ে বেড়িয়ে পড়েন। ১৯২৮ সালে যুগোশ্লাভিয়ার জেসুইট সংস্থা তাঁকে পাঠালেন আয়ারল্যান্ডের লোরেটো সংঘে। সেখানে থেকে শিক্ষকতার পেশা নিয়ে তিনি ভারতবর্ষ পাড়ি জমান। শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি দারিদ্র্য ক্লিষ্ট, রোগ-ব্যাধিতে জর্জরিত মানুষের পাশে দাঁড়াতেন। শোনাতেন আশার বাণী। ১৯৩১ সালে তিনি সন্ন্যাসব্রত গ্রহণ করেন। তাঁর অ্যাগনেস নামটি হারিয়ে গেল চিরতরে। তিনি আবির্ভূত হলেন মাদার তেরেসা নাম নিয়ে। এবার বৃহৎ জীবনের আহবানে দরিদ্র মানুষের সেবায় নিজেকে সসম্পূর্ণ উৎসর্গ করলেন। ১৯৫০ সালে কলকাতার কালীঘাটে প্রতিষ্ঠা করলেন 'নির্মল হৃদয়' আশ্রম এখানে অসহায় নরনারী পেল মমতাময়ী জননীর স্নেহস্পর্শ। অনাথ শিশুদের জন্য তিনি প্রতিষ্টা করেন 'নির্মলা শিশুভবন'। মাদার টেরিসার সেবাদর্শ ও মানব প্রীতি সর্বকালের মানুষকে প্রেরণা ও শক্তি যোগায়। মাদার টেরেসা মানুষের মনিকোঠায় প্রার্থনার জায়গা সর্বদা থাকবেন সকলের।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url