21 ফেব্রুয়ারি অনুচ্ছেদ [২টি] - (২০২৩ আপডেট)

21 ফেব্রুয়ারি অনুচ্ছেদ, 21 ফেব্রুয়ারি অনুচ্ছেদ রচনা, (21 ফেব্রুয়ারি অনুচ্ছেদ Class 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, 10) (21 ফেব্রুয়ারি অনুচ্ছেদ ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম, ৯ম, ১০ম শ্রেণি) 21 ফেব্রুয়ারি অনুচ্ছেদ নিচে দেওয়া হয়েছে। 100 - 150 শব্দ, লিখন, ২০২৩, ক্লাস ১০, jsc, ssc, hsc)

21 ফেব্রুয়ারি অনুচ্ছেদ

"21 ফেব্রুয়ারি অনুচ্ছেদ"

ভাষা যােগাযােগের প্রধান মাধ্যম হিসাবে আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৫২ সালের এ দিনে মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় রাজপথে প্রাণ দিয়েছিল বাংলার দামাল ছেলেরা। তাদের সেই আত্মত্যাগের বিনিময়েই নিশ্চিত হয়েছে মায়ের ভাষা বাংলায় কথা বলার অবারিত অধিকার। সেই ঐতিহাসিক ভাষা শহিদ দিবস ২১শে ফেব্রুয়ারি ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেব স্বীকৃতি লাভ করেছে। কানাডা প্রবাসী বাঙালিদের সংগঠন 'মাদার ল্যাঙ্গুয়েজ অব দ্যা ওয়ার্ল্ড' প্রথম ২১শে ফেব্রুয়ারির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির উদ্যোগ গ্রহণ করে। কিন্তু সেই প্রচেষ্টা আলোর মুখ দেখেনি। পরবর্তীকালে বাংলাদেশ সরকারের মাধ্যমে বিষয়টি জাতিসংঘে উত্থাপিত হয়। বিশ্বের ২৭টি দেশ এ প্রস্তাবকে সমর্থন জানায়। ১৯৯৯ সালের ১৭ই নভেম্বর ইউনেস্কোর ২১ তম অধিবেশনে ২১শে ফেব্রুয়ারিকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে পালনের স্বীকৃতি দেওয়া হয়। বর্তমানে বিশ্বের সকল দেশ এই দিনটিকে শ্রদ্ধার সঙ্গে পালন করছে। বাংলাদেশের শহিদদের মহান ত্যাগ এভাবে বিশ্ববাসীর স্বীকৃতিলাভ করেছে। বাংলাদেশ ও বাঙালি জাতির জন্য এটি একটি বিরল গৌরব। বাংলা ভাষা শহিদ ভাইদের জীবনের বিনিময়ে আমরা অর্জন করেছি। তাই এই ভাষাকে আমরা শ্রদ্ধা করব, শুদ্ধভাবে এ ভাষার চর্চা করব।

"21 ফেব্রুয়ারি অনুচ্ছেদ Class 9 - 10"

২১শে ফেব্রুয়ারি আমাদের জাতীয় জীবনে একটি স্মরণীয় দিন। ১১৯৫২ সালে বুকের রক্ত দিয়ে বাঙালি বিশ্ব-ইতিহাসে মাতৃভাষার জন্য আত্মত্যাগের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তখন থেকে দিনটিকে আমরা ‘শহীদ দিবস' হিসেবে উদ্যাপন করে আসছি। কিন্তু ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো দিনটিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। বর্তমানে দিনটির শিক্ষা এই যে, আমাদের সকলের উচিত অন্যদের মাতৃভাষাকে শ্রদ্ধা করা। আমাদের মাতৃভাষা আমাদের অনুপম সম্পদ। একইভাবে অন্যদের মাতৃভাষাও তাদের কাছে অমূল্য। বৃহৎ অর্থে, দিনটি আমাদেরকে অন্যদের অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করতে শেখায়। রাত ১২টা ১মিনিটে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, সংসদ সদস্যবৃন্দ, কূটনৈতিক মিশনসমূহের কর্মচারীবৃন্দএবং অন্যান্যরা পুষ্পস্তবক অর্পণের জন্য কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আসেন। এভাবে তারা বাংলা ভাষার জন্য প্রাণ উৎসর্গকারীদের শ্রদ্ধা জানান। সারা দিন ধরে লোকজন শহীদদের প্রতি তাদের শ্রদ্ধা প্রদর্শনের জন্য শহীদ মিনার পরিদর্শন করে। সবখানে লোকসঙ্গীত “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি" গাওয়া হয়। একুশ আমাদের জাতীয় মুক্তির চেতনার উৎস হিসাবে কাজ করেছে। আমাদের মহান একুশ আজ স্বদেশের আঙিনা পেরিয়ে বৈশ্বিক চেতনায় পরিণত হয়েছে।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url