সাইবার অপরাধ অনুচ্ছেদ [১টি] - (২০২৩ আপডেট)

সাইবার অপরাধ অনুচ্ছেদ, সাইবার অপরাধ অনুচ্ছেদ রচনা, (সাইবার অপরাধ অনুচ্ছেদ Class 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, 10) (সাইবার অপরাধ অনুচ্ছেদ ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম, ৯ম, ১০ম শ্রেণি) সাইবার অপরাধ অনুচ্ছেদ নিচে দেওয়া হয়েছে। 100 - 150 শব্দ, লিখন, ২০২৩, ক্লাস ১০, jsc, ssc, hsc)

সাইবার অপরাধ অনুচ্ছেদ [১টি] - (২০২৩ আপডেট)

"সাইবার অপরাধ অনুচ্ছেদ"

সাইবার ক্রাইম এমন একটি অপরাধ যা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক তথা ইন্টারনেট ব্যবহার করে সংঘটিত হয়। ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করে অপরাধীরা এই অপরাধ সংঘটিত করে। আধুনিক টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে অপরাধমূলক অভিপ্রায়ে বা কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃত সম্মানহানি কিংবা সরাসরি শারীরিক বা মানসিক ক্ষতি সাধিত হলে তা সাইবার অপরাধ বলে গণ্য হবে। সাইবার অপরাধ বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। যেমন : হ্যাকিং, স্প্যামিং, সাইবার আক্রমণ, সাইবার হয়রানি, সাইবার চুরি, ফিশিং, পাইরেসি প্রভৃতি। তবে হ্যাকিং, কপিরাইট লঙ্ঘন, শিশু পর্নোগ্রাফির মতো অপরাধগুলো বর্তমানে উচ্চমাত্রা ধারণ করেছে। এর ফলে জাতির নিরাপত্তা ও আর্থিক স্বাস্থ্য হুমকির সম্মুখীন। ব্লু হোয়েল নামক অনলাইন গেম বর্তমানে আলোচিত সাইবার অপরাধ। এটি এর অনুসারীকে মৃত্যুর দিকে নিয়ে যায়। সাইবার অপরাধ দমনের জন্য বিভিন্ন দেশ ইতিমধ্যে বিভিন্ন আইন প্রণয়ন করেছে। বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন-২০০৬ (সংশোধিত ২০১৩)-এর ৫৪ ধারা অনুযায়ী কম্পিউটার বা কম্পিউটার সিস্টেম ইত্যাদির অনিষ্ট সাধনে ই-মেইল পাঠানো, ভাইরাস ছড়ানো, সিস্টেমে অনধিকার প্রবেশ বা সেস্টেমের ক্ষতি করা অপরাধ। এর শাস্তি সর্বোচ্চ ১৪ বছর কারাদণ্ড এবং সর্বনিম্ন ৭ বছর কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রয়েছে। সাইবার অপরাধ দমন করা না হলে ভবিষ্যতে ক্ষতির পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পাবে। কিন্তু এমনও অনেক দেশ আছে যারা অন্যদেশের সাইবার অপরাধীদের নিরাপদ আশ্রয় দিয়ে যাচ্ছে। ফলে অপরাধ ক্রমেই বাড়ছে। এতে ঐসব দেশগুলোর হয়তো সাময়িক স্বার্থ লাভ হচ্ছে কিন্তু একসময় তা ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে। অপরাধীদের উৎসাহ না দিয়ে বরং আইনের আওতায় নিয়ে আসা প্রয়োজন।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url