শব্দদূষণ অনুচ্ছেদ [২টি] - (২০২৩ আপডেট)

শব্দদূষণ অনুচ্ছেদ, শব্দদূষণ অনুচ্ছেদ রচনা, (শব্দদূষণ অনুচ্ছেদ Class 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, 10) (শব্দদূষণ অনুচ্ছেদ ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম, ৯ম, ১০ম শ্রেণি) শব্দদূষণ অনুচ্ছেদ নিচে দেওয়া হয়েছে। 100 - 150 শব্দ, লিখন, 2023, ক্লাস ১০, jsc, ssc, hsc)

শব্দদূষণ অনুচ্ছেদ [২টি] - (২০২৩ আপডেট)

"শব্দদূষণ অনুচ্ছেদ"

বিভিন্ন উৎস থেকে উৎপন্ন উচ্চ শব্দ যখন মানুষের সহনশীলতার সীমা অতিক্রম করে স্বাস্থের জন্যে ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়ায় তখন তাকে শব্দ দূষণ বলে। শব্দ প্রয়োজনীয় হলেও শব্দময় আমাদের এই জগতে শব্দ কখনো কখনো আমাদের জন্য ক্ষতিকর ও বিরক্তিকর হয়ে ওঠে। আর সেটিই হলো শব্দদূষণ। পাখপাখালির ডাক, মৃদু শব্দ, সংগীতের সুর শ্রুতিমধুর। বিপরীতে যানবাহনের আওয়াজ, রেডিও টেলিভিশনের উচ্চশব্দ, গাড়ির হুইসেল, কলকারখানার সাইরেন, মাইকের আওয়াজ, উড়োজাহাজের শব্দ ইত্যাদি আমাদের প্রাকৃতিক পরিবেশ ও সামাজিক পরিবেশকে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। কারণ, এই শব্দগুলো তীব্র ও অতিমাত্রার, এগুলোই সৃষ্টি করছে শব্দদূষণ। শব্দদূষণে আমাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা কোনো কোনো ক্ষেত্রে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, আবার কখনো হুমকির কারণ হচ্ছে। শব্দদূষণে শিশুদের ও বড়দের পড়াশোনার ক্ষতি হচ্ছে, মানুষের কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে, বিরক্তি উৎপাদক বলে মানুষ অবসাদগ্রস্ত হচ্ছে, রোগীরাও শব্দদূষণের কারণে হুমকির সম্মুখীন হচ্ছে। উচ্চ শব্দযুক্ত শিল্পকারখানায় যেসব শ্রমিক কাজ করে, তাদের শ্রবণশক্তি ১০ বছরে অর্ধেক হ্রাস পায়। অর্থাৎ নিঃসন্দেহে শব্দদূষণ মারাত্মক ক্ষতিকর এক দূষণ। সচেতন ও উদ্যোগী হয়ে আমরা উচ্চ শব্দ তৈরি করা থেকে বিরত থাকলে এই দূষণ থেকে রক্ষা পেতে পারি। সবার সমবেত চেষ্টায় দূষণ একদিন নির্মূল হবেই।

"শব্দদূষণ অনুচ্ছেদ Class 7"

প্রতিদিন প্রতিনিয়ত শব্দ দূষণ হয়েই চলেছে। পরিবেশের অন্যান্য দূষক আমাদের জীবিকার জন্যও হুমকি সৃষ্টি করতে পারে। শাক্ত শব্দটি, এবং এটি আমাদের জীবনের অনেক ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। শব্দ ছাড়া বেঁচে থাকা অসম্ভব, তবে দূষণ ঘটে যখন তারা একটি নির্দিষ্ট থ্রেশহোল্ড অতিক্রম করে। শব্দ দূষণ অনেক জায়গা থেকে আসতে পারে। উচ্চস্বরে চিৎকার, রাস্তার পাশের হোটেল ও দোকানে গ্রাহকদের প্রলুব্ধ করার জন্য ব্যবহৃত উচ্চস্বরে ক্যাসেট, বিভিন্ন সময়ে মাইক্রোফোন এবং লাউডস্পিকার, রাস্তায় স্লোগান এবং উচ্চস্বরে চিৎকারও শব্দ দূষণের কারণ হতে পারে। কল, কারখানা, পাওয়ার লুমের শব্দের কারণেও শব্দ দূষণ হতে পারে। শব্দ দূষণ অনেক উত্স থেকেও আসতে পারে। শব্দ দূষণের কারণে শ্রবণশক্তি নষ্ট হতে পারে। আরও অনেক সমস্যা আছে। শব্দ দূষণ একটি সমস্যা যা বিশ্বের সব অংশে সমাধান করা হয়েছে। শব্দ দূষণ কমাতে হলে সচেতনতা বাড়াতে হবে এবং আইন প্রয়োগ করতে হবে। আইন আদালত কিংবা পুলিশি কড়াকড়ি করে সব সমস্যা সমাধান করা যায় না।সেজন্য জনগণের সচেতনতা একান্ত প্রয়োজন।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url