সড়ক দুর্ঘটনা অনুচ্ছেদ [৩টি] - (২০২৩ আপডেট)

সড়ক দুর্ঘটনা অনুচ্ছেদ, সড়ক দুর্ঘটনা অনুচ্ছেদ রচনা, (সড়ক দুর্ঘটনা অনুচ্ছেদ Class 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, 10) (সড়ক দুর্ঘটনা অনুচ্ছেদ ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম, ৯ম, ১০ম শ্রেণি) সড়ক দুর্ঘটনা অনুচ্ছেদ নিচে দেওয়া হয়েছে। 100 - 150 শব্দ, লিখন, 2023, ক্লাস ১০, jsc, ssc, hsc)

সড়ক দুর্ঘটনা অনুচ্ছেদ [৩টি] - (২০২৩ আপডেট)

"সড়ক দুর্ঘটনা অনুচ্ছেদ"

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ও ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে। এছাড়া বিভিন্ন জেলা শহরের সড়কগুলােও যেন মৃত্যু ফাঁদ । সড়ক মহাসড়ক এখন দুর্ঘটনার আকর আর যান্ত্রিক যানগুলো ঘাতক-দৈত্য। আমরা কেউ জানি না জীবন-জীবিকার প্রয়োজনে বাইরে গিয়ে সুস্থ দেহে ফিরে আসতে পারব কি-না। কেননা অহরহ দুর্ঘটনার বলি হচ্ছে অসংখ্য মানুষ। কেউ আহত হচ্ছে, কেউ জীবনের তরে পঙ্গু হচ্ছে, আবার কেউ হারাচ্ছে অকালে তার মূল্যবান জীবন। একটা জীবন হারিয়ে পরিবারের অনেক মানুষ মারাত্মক দুর্দশার শিকার হচ্ছে, অনেক পরিবার নিঃস্ব হয়ে পথে বসছে। বন্ধ হয়ে যাচ্ছে সন্তানদের লেখাপড়া, চিকিৎসা। খাওয়া-পরা জোটাতেই হিমশিম খাচ্ছে এসব পরিবারের সদস্যরা। অথচ এসব দুর্ঘটনা যারা ঘটাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে মামলা হচ্ছে, কিন্তু কোনো বিচার হচ্ছে না। এমনকি গাড়ির মালিকের পক্ষ থেকে বা সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হচ্ছে না কোনো সাহায্য-সহযোগিতা। ফলে অধিক নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে দুর্ঘটনা কবলিতের পরিবার-পরিজন। প্রতি বছর বাংলাদেশে অন্তত দশ হাজার দুর্ঘটনা ঘটে আর এসব দুর্ঘটনায় অন্তত পাঁচ হাজার মানুষ মৃত্যুবরণ করে। আহত হয় কমপক্ষে দশ হাজার মানুষ। অনুন্নত সড়ক, অদক্ষ চালক, ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন, ত্রুটিপূর্ণ ট্রাফিক ব্যবস্থা, নানামুখী দুর্নীতি, জনগণের অসচেতনতা এসব দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ।

"সড়ক দুর্ঘটনা Class 9"

ভোরের আলোয় পৃথিবী আলোকিত হতে না হতেই শুরু হয় মানুষের কর্মব্যস্ততা। আর এই ব্যস্ততার মধ্যেই ঘটে যায় নানা ধরনের অঘটন, যার মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনা অন্যতম। আজকাল পত্রিকার পাতা খুললেই চোখে পড়ে সড়ক দুর্ঘটনার বিভিন্ন মর্মান্তিক খবর। যেমন- বাস ও মিনিবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে বা বাস ট্রাক বা মিনিবাস পিছন থেকে রিকশাকে ধাক্কা দিয়ে, গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে, এমনকি হেঁটে রাস্তা পার হবার সময়ও অনেক পথচারী সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়। এসব দুর্ঘটনা মৃত্যুদূত হয়ে দাঁড়িয়ে আছে আমাদের দরজায়। সড়ক দুর্ঘটনা নানা কারণে ঘটে থাকে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো অপ্রশস্ত রাস্তা, অতিরিক্ত যানবাহন, ট্রাফিক ব্যবস্থার ত্রুটি, ভাঙা রাস্তা, গাড়ির ত্রুটিপূর্ণ ইঞ্জিন এবং চালকের অমনোযোগিতা, দক্ষ ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত চালকের অভাব, অতিরিক্ত যাত্রী ওঠানো, অসাবধানে রাস্তা পারাপার, অনিয়ন্ত্রিত ওভারটেকিং ইত্যাদি। দুর্ঘটনা যেভাবেই ঘটুক না কেন এর ফলাফল অত্যন্ত ভয়ংকর। মানব সম্পদের বিনাশ এই সড়ক দুর্ঘটনার সবচেয়ে বড় ক্ষতি। এই সড়ক দুর্ঘটনার মরণ ছোবল মুক্তির উপায় বের করা অত্যন্ত জরুরি। এসব দুর্ঘটনা এড়াতে প্রয়োজন ট্রাফিক আইনের আধুনিকীকরণ, আইন প্রয়োগে আন্তরিক হওয়া, রাস্তা সংস্কার করা, চালকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া ইত্যাদি।

"সড়ক দুর্ঘটনা Class 7"

সংবাদপত্রে প্রতিদিন মর্মান্তিক যে খবরটি অনিবার্য বিষয় তা হলাে সড়ক দুর্ঘটনা দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতের সংখ্যা, সারি-সারি মৃতদেহের ছবি, দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া গড়ি— দিনের শুরুটাই হয় এমন মন খারাপ করা খবরে। প্রতিদিন সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে অকালে ঝরে যায় কত প্রাণ । পঙ্গুত্ব বরণ করে কেউ উে জীবন্মত হয়ে বেঁচে থাকে। হতাহতদের পরিবারে একদিকে জমে বুকচাপা কান্না, অন্যদিকে আইনগত বিচার চাইতে গিয়ে তাদের পড়তে হয় নানান জটিলতায় । আইনের যথাযথ প্রয়ােগ নেই বলেই অপরাধ করেও দায়ী ব্যক্তিরা অবলীলায় পার পেয়ে যায়। তাই সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে হলে সবচেয়ে বেশি প্রয়ােজন আইনের কার্যকর প্রয়ােগ। আর এ দায়িত্ব নিতে হবে সংশ্লিষ্ট পুলিশ প্রশাসনকে। সমস্যা নিরসনের জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নে সত্যিকারভাবে এগিয়ে আসতে হবে সরকারকে।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url